২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষ

ইইউ থেকে শস্য উৎপাদন ও রফতানি বাড়ার সম্ভাবনা

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো থেকে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে শস্য উৎপাদন ও রফতানি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়তে পারে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো থেকে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে শস্য উৎপাদন ও রফতানি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়তে পারে। ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের (এফএএস) এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। ওয়ার্ল্ড গ্রেইন ডটকম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইইউতে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে মোট শস্য উৎপাদন হতে পারে ২৮ কোটি ৮১ লাখ টন। এর আগে ২৭ কোটি ৯২ লাখ টন শস্য উৎপাদন হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল সংস্থাটি।

ইউএসডিএ আরো জানায়, উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে ইইউভুক্ত দেশগুলোর মোট শস্য রফতানি ৪ কোটি ৫৭ লাখ টনে পৌঁছতে পারে, যা ২০২৪-২৫ মৌসুমের ৩ কোটি ৭০ লাখ টনের তুলনায় বেশি।

শস্যের পর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে আঞ্চলিক জোটটির সদস্য দেশগুলোয় আমদানির প্রয়োজনও কমতে পারে বলে জানিয়েছে এফএএস। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ইইউভুক্ত দেশগুলোয় শস্য আমদানির পরিমাণ ছিল ৩ কোটি ৬ লাখ টন। ২০২৫-২৬ মৌসুমে তা কমে ২ কোটি ৮০ লাখ টনে নেমে আসতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ মৌসুমে পশুখাদ্য খাতে শস্যের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। খাতটিতে এ সময় শস্যের মোট চাহিদা পৌঁছতে পারে ১৬ কোটি ১৯ লাখ টনে।

ইইউভুক্ত দেশগুলোয় ২০২৫-২৬ মৌসুমে গম উৎপাদন পৌঁছতে পারে ১৪ কোটি ৪৬ লাখ টনে। তবে এ সময় ভুট্টা উৎপাদন ৫ কোটি ৭৫ লাখ টনে নেমে যেতে পারে, যা আগের মৌসুমের ৫ কোটি ৯৫ লাখ টনের তুলনায় কম।

আরও